Academy

ইতিহাসের শিক্ষক জামিল সাহেব মধ্যযুগের স্থাপত্য কীর্তিগুলো কোনটি কোথায় অবস্থিত তা সঠিকভাবে জানানোর জন্য এলোমেলোভাবে স্থাপত্যের কীর্তিগুলো ও অবস্থানের নাম দিয়ে একটি ছক ছাত্র- ছাত্রীদের সঠিকভাবে সাজাতে বলেন। ছকটি নিম্নরূপ:

ক্রমিক নম্বর

স্থাপত্য কীর্তির নাম

অবস্থান

আদিনা মসজিদ

ঢাকা

বড় সোনা মসজিদ

বাগেরহাট

বিবি পরির সমাধি

গৌড়

ষাট গম্বুজ মসজিদ

সোনারগাঁও

গিয়াসউদ্দিন আযম শাহের সমাধি

পান্ডুয়া

ছকে উল্লিখিত বিবি পরির সমাধি এখনও পর্যন্ত এ দেশে সর্বাধিক সুন্দর মুসলিম স্মৃতিসৌধ- মতামত দাও। (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago
Ans :

মধ্যযুগের স্থাপত্যকীর্তি সম্পর্কিত শিক্ষার্থীদের তৈরি করা ছকে উল্লিখিত স্থাপত্যগুলোর মাঝে বিবি পরির সমাধি অন্যতম। আমি মনে করি, ছকে উল্লিখিত স্থাপত্য কীর্তিগুলোর মাঝে বিবি পরির সমাধি এখনও পর্যন্ত এদেশে সর্বাধিক সুন্দর মুসলিম স্মৃতিসৌধ।

উদ্দীপকের ছকে উল্লিখিত হয়েছে, আদিনা মসজিদ, বড় সোনা মসজিদ, ফ্যাট গম্বুজ মসজিদ, বিবি পরির সমাধি, গিয়াসউদ্দিন আযম শাহের সমাধি। এর মাঝে বিবি পরির সমাধি ছাড়া বাকিগুলো কালের অবক্ষয়ে তাদের জৌলুস হারিয়ে ফেলেছে। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো অবহেলিত হয়ে পড়ে আছে। নির্মাণকালীন সময়ে এগুলো এতটা জৌলুস দিয়েও তৈরি করা হয়নি, যতটা বিবি পরির সমাধিতে দেয়া হয়েছে।

বিবি পরি ছিলেন শায়েস্তা খানের কন্যা। ঢাকার লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরে ১৬৯০ সালে ইব্রাহিম খানের শাসনামলে তার সমাধি সৌধটি নির্মাণ করা হয়। এই সমাধি সৌধ নির্মাণ করা হয় মার্বেল পাথর দিয়ে। এখনও পর্যন্ত মধ্যযুগের অনেক স্থাপত্য কীর্তি স্বমহিমায় অবস্থান করছে। তবে মার্বেল পাথরে নির্মিত এই সমাধি সৌধটি বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের সর্বাধিক সুন্দর মুসলিম স্মৃতিসৌধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

1 year ago

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা

🏛️ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা – নবম-দশম শ্রেণি | SSC | NCTB অনুমোদিত

আপনি কি খুঁজছেন “বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি PDF”, CQ/MCQ প্রশ্ন–উত্তর, কিংবা সহজ ও ব্যাখ্যাসহ পাঠ বিশ্লেষণ?

✅ SATT Academy–তে আপনি পাবেন:

  • অধ্যায়ভিত্তিক সহজ ব্যাখ্যা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
  • MCQ + CQ প্রশ্ন–উত্তর ও সাজেশন
  • ভিডিও লেকচার ও লাইভ কুইজ
  • সরকারি PDF ডাউনলোড লিংক
  • সবকিছুই বিনামূল্যে এবং পরীক্ষায় সহায়কভাবে সাজানো

📘 আলোচিত অধ্যায়সমূহ:

  • বাংলা জাতির শেকড় – প্রাচীন সভ্যতা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
  • মুঘল ও বৃটিশ শাসনকাল – উপনিবেশ ও প্রতিরোধ
  • পাকিস্তান শাসনামল ও বাঙালির জাতীয়তাবাদ
  • মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
  • স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম ও সংবিধান
  • বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতা – মেসোপটেমিয়া, মিশর, সিন্ধু, চীন
  • আধুনিক ইতিহাস ও বৈশ্বিক পরিবর্তন

✅ এখানে যা থাকছে:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের সহজ ব্যাখ্যা ও তথ্যচিত্রসহ বিশ্লেষণ
  • বোর্ড অনুযায়ী CQ ও MCQ প্রশ্ন–উত্তর ও মডেল টেস্ট
  • ভিডিও লেকচার ও চিত্রসহ অধ্যায় বিশ্লেষণ
  • PDF, ইমেজ নোট ও কুইজ ডাউনলোড
  • Live Test দিয়ে নিজের প্রস্তুতি যাচাই

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা PDF ডাউনলোড

(লিংকে ক্লিক করে সরকারি বইটি অনলাইনে পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবেন)


👨‍👩‍👧‍👦 কারা উপকৃত হবেন:

  • শিক্ষার্থী: বোর্ড পরীক্ষার জন্য সাজানো সেরা কনটেন্ট
  • শিক্ষক: ক্লাসে শেখাতে উপযোগী বিশ্লেষণ ও উদাহরণ
  • অভিভাবক: সন্তানকে ইতিহাস শেখাতে সহায়ক গাইড
  • টিউটর: প্রশ্ন তৈরি ও অনুশীলনের জন্য সঠিক উৎস

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • অধ্যায় নির্বাচন করুন
  • ব্যাখ্যা ও প্রশ্ন–উত্তর পড়ুন
  • ভিডিও দেখুন ও Live Test দিন
  • ইমেজ বা PDF ডাউনলোড করুন
  • কমেন্টে নিজের ব্যাখ্যা যুক্ত করে শিখুন ও শিখান

✨ কেন SATT Academy?

✔️ ১০০% ফ্রি, বিজ্ঞাপনবিহীন ও আপডেটেড কনটেন্ট
✔️ পরীক্ষা–উপযোগী সাজানো প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা
✔️ চিত্র, টাইমলাইন ও ভিজ্যুয়াল ব্যাখ্যা সহ শেখা আরও সহজ
✔️ মোবাইল ফ্রেন্ডলি ও দ্রুত লোডিং ওয়েবসাইট
✔️ শিক্ষার্থী–শিক্ষক–অভিভাবক সবার জন্য কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম


🔍 সার্চ-সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • বাংলাদেশের ইতিহাস নবম-দশম শ্রেণি
  • SSC History & Civilization
  • বিশ্বসভ্যতা MCQ PDF
  • বাংলাদেশ ও বিশ্ব ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর
  • Class 9 10 Itihash PDF
  • SATT Academy History Book

🚀 আজই পড়াশোনা শুরু করুন!

ইতিহাস শুধু তথ্য নয়—এটা আমাদের পরিচয়, আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যতের পথনির্দেশক।
SATT Academy–এর মাধ্যমে ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা হয়ে উঠুক আপনার জানা ও বোঝার আনন্দময় একটি যাত্রা।

📚 SATT Academy – শেখা হোক সত্য, সুনির্দিষ্ট ও সবার জন্য উন্মুক্ত।

Content added By

Related Question

View More

বাংলার মাটিতে কৃষিজাত দ্রব্যের প্রাচুর্য ছিল। বাংলার কৃষিভূমি অস্বাভাবিক উর্বর হওয়ায় এখানে ধান, গম, পাট, আদা, পিঁয়াজ, তেল, সরিষা, পান, সুপারি, রেশম, ডাল, আম, কাঁঠাল ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হতো। ফলে উদ্বৃত্ত বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হতো। এর ফলে বাংলার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটেছিল।

রেজা সাহেবের বাড়ির খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে বাংলার সুলতানি আমলের মিল রয়েছে।

সুলতানি আমলে বাংলার অভিজাতরা ভোজনবিলাসী ছিলেন। তাদের খাদ্য তালিকায় ছিল মাছ, মাংস, শাক, সবজি, দুধ, দধি, ঘৃত, ক্ষীর ইত্যাদি। এছাড়াও তাদের খাদ্য তালিকায় আচারের নামও পাওয়া যায়। এসব খাবারের পাশাপাশি কাবাব, রেজালা, কোর্মা আর ঘিয়ে রান্না করা যাবতীয় মুখরোচক খাবার জায়গা করে নেয়। খাদ্য হিসেবে রুটির কথাও পাওয়া যায়। খিচুড়ি ছিল তখনকার সমাজের প্রধান খাদ্য।

উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি যে, রেজা সাহেব গত সপ্তাহে তার মেয়ের জন্মদিনে পোলাও, কাবাব, রেজালা ও মিষ্টির আয়োজন করেন। এ খাবারগুলোর সাথে বাংলার সুলতানি আমলের খাওয়া-দাওয়ার মিল বিদ্যমান।

রেজা সাহেবের অর্থনৈতিক অবস্থা সুলতানি আমলের চেয়ে সমৃদ্ধ ছিল না বলে আমি মনে করি।

সুলতানি আমলে বাংলায় অনেক কৃষিপণ্য উৎপন্ন হতো। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ধান, গম, পাট, রেশম, হলুদ, শশা, পিঁয়াজ, তুলা, আদা, জোয়ার, তিল, পান, সুপারি, আম, কাঁঠাল, কলা ইত্যাদি। ফলে উদ্বৃত্ত দ্রব্য বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হতো। এছাড়াও বস্ত্রশিল্পে বাংলার অগ্রগতি ছিল সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। এখানকার নির্মিত বস্ত্রগুলো গুণ ও মানের বিচারে যথেষ্ট উন্নত ছিল বিধায় বিদেশে এগুলোর প্রচুর চাহিদা ছিল। এদেশের মসলিন কাপড়ের প্রচুর চাহিদা ছিল ইউরোপের বাজারে।

এছাড়া সুলতানি আমলে বাংলার রপ্তানি পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, সুতি কাপড়, রেশমি বস্ত্র, চিনি, গুড়, আদা, লঙ্কা, লবণ, নানা প্রকার মসলা, আফিম, ঔষধ ইত্যাদি। বাংলায় আমদানি করা হতো স্বর্ণ, রৌপ্য ও মূল্যবান পাথর। ফলে রপ্তানি বেশি হওয়ার কারণে বাংলার অর্থনৈতিক প্রাচুর্য বজায় ছিল সুলতানি আমলে।

উদ্দীপকের রেজা সাহেবের আমদানি ও রপ্তানি দ্রব্যের পরিমাণ খুবই স্বল্প। তাই একথা বলা যায় যে, রেজা সাহেবের অর্থনৈতিক অবস্থার চেয়ে সুলতানি আমলের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও সমৃদ্ধ ছিল।

বাংলার বহু স্থানে আজও মুঘল শাসকদের শিল্প প্রীতির নিদর্শন রয়েছে। তাঁদের পৃষ্ঠপোষকতায় বহু সংখ্যক মসজিদ, সমাধি ভবন, স্মৃতিসৌধ, মাজার, দুর্গ, স্তম্ভ ও তোরণ নির্মিত হয়েছিল। ফলে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশের জন্য মধ্য যুগকে মুঘলদের 'স্বর্ণযুগ' হিসেবে অভিহিত করা হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...